স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স′হবাস করা যা... see more
স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীর সঙ্গে সহবাস করা কি ইসলামে জায়েজ?
ইসলামী শরিয়তে যৌনসম্পর্কের বৈধতার বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্ট। কুরআনে মুমিনদের নিজেদের লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে এবং বৈধ সম্পর্কের সীমারেখা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কুরআনে তৎকালীন সমাজের “মা মালাকাত আইমানুকুম”—অর্থাৎ বৈধ মালিকানাধীন দাসী/বন্দিনীদের প্রসঙ্গও এসেছে। এটি ছিল প্রাচীন দাসপ্রথার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঐতিহাসিক ব্যবস্থা। এটিকে বর্তমান যুগের নারী-পুরুষের সম্পর্কের সঙ্গে সরাসরি মিলিয়ে দেখা ঠিক নয়।
বর্তমান সময়ে দাসপ্রথা বিলুপ্ত। তাই কোনো নারীকে দাসী বানিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক করার সুযোগ ইসলামে নেই।
অতএব বর্তমানে—
• বৈধ স্ত্রী → যৌনসম্পর্ক বৈধ।
• বৈধ বিবাহ ছাড়া অন্য নারী → যৌনসম্পর্ক বৈধ নয়।
• প্রেমিকা বা গার্লফ্রেন্ড → বৈধ নয়।
• পরকীয়া → হারাম।
• কোনো নারীকে জোর করে সম্পর্ক করা → সম্পূর্ণ অন্যায় ও হারাম।
• কাউকে “দাসী” দাবি করে যৌনসম্পর্ক করা → বর্তমান সময়ে বৈধ নয়।
ইসলাম নারী ও পুরুষ উভয়কেই পবিত্রতা, সংযম এবং শালীনতা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। তাই বর্তমান যুগে বিবাহের বাইরে যৌনসম্পর্ককে ইসলামীভাবে বৈধ বলা সঠিক নয়।
সংক্ষেপে: ঐতিহাসিক দাসপ্রথা-সংক্রান্ত কুরআনিক আলোচনাকে বর্তমান সময়ে স্ত্রী ছাড়া অন্য নারীর সঙ্গে যৌনসম্পর্কের অনুমতি হিসেবে ব্যবহার করা বিভ্রান্তিকর। বর্তমান বাস্তবতায় বৈধ যৌনসম্পর্কের স্বীকৃত পথ হলো বৈধ বিবাহ।
এখনও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন!